Summary
রাজ্য ও প্রশাসনিক তথ্য:
- রাষ্ট্রীয় নাম: United Kingdom of Great Britain & Northern Ireland
- রাজধানী: লন্ডন
- ভাষা: ইংরেজি
- মুদ্রা: পাউন্ড স্টার্লিং
রাজ্যসমূহ: ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড
ইতিহাস:
- গ্রেট ব্রিটেনের গঠন ১৭০৭ সালে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের একত্রিত হয়ে ঘটে।
- ব্রিটেনের প্রথম স্থায়ী কলোনী জেমস টাউন।
- ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সালে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা যান।
- বর্তমান রাজা: ৩য় চার্লস।
রাজনৈতিক তথ্য:
- হোয়াইট হল: ব্রিটেনের প্রশাসনিক দপ্তর।
- ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন।
- মর্গারেট থ্যাচার, ১৯৭৯-৯০ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ব্রিটেনের পার্লামেন্ট: দুই কক্ষবিশিষ্ট (হাউজ অব লর্ডস ও হাউজ অব কমনস)।
গণতন্ত্র ও শিল্প বিপ্লব:
- গৌরবময় বিপ্লব ১৬৮৮ সালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- শিল্প বিপ্লব ১৭৬০ সালে ইংল্যান্ডে শুরু হয়, যার ফলে ভারতীয় কুটির শিল্প ধ্বংস হয়।
বাকী তথ্য:
- ভিক্টোরিয়া ক্রস: ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
- ব্লাসফেমি আইন: ধর্মনিন্দা প্রতিরোধে তৈরি হয়।
- ব্রেক্সিট: ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া, কার্যকর ৩১ জানুয়ারি ২০২০।
- রাষ্ট্রীয় নামঃ United Kingdom of Great Britain & Northern Ireland
- রাজধানীঃ লন্ডন
- ভাষাঃ ইংরেজি
- মুদ্রাঃ পাউন্ড স্টার্লিং
গ্রেট ব্রিটেনের রাজ্য- ৪টি
- ইংল্যান্ড - লন্ডন
- ওয়েলস - কার্ডিফ
- স্কটল্যান্ড - এডিনবার্গ
- উত্তর আয়ারল্যান্ড - বেলফাস্ট
ব্রিটেনের কিছু তথ্যঃ
- United Kingdom of Great Britain & Northern Ireland.
- ১৭০৭ সালে রানী অ্যানির রাজত্বকালে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড একত্রিত হয়ে 'গ্রেট ব্রিটেন এ পরিণত হয়।
- আয়ারল্যান্ড ১৬০৩ সালে ব্রিটেনের অঙ্গরাজ্য পরিণত হয়।
- পৃথিবীর প্রথম স্থায়ী ব্রিটিশ কলোনী জেমস টাউন।
- CITY of FLIM বলা হয় ব্রাডফোর্ড শহরকে।
- CITY of LITERATURE বলা হয় এডিনবার্গ (যুক্তরাজ্য) শহরকে।
- ভিক্টোরিয়া ক্রস- ব্রিটেনের সর্বোচ্চ জাতীয় খেতাব।
- ইউনিয়ন জ্যাক বলা হয়- ব্রিটেনের পতাকাকে।
- আধুনিক গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়- ব্রিটেনকে।
- যুক্তরাজ্যের প্রধান বস্ত্রশিল্প অঞ্চল- ল্যাঙ্কাশায়ার।
- শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল প্রথম ব্রিটেনে (১৭৬০-১৮৪০) সালে ।
- উপমহাদেশের নীল চাষের সূচনা হয়- শিল্প বিপ্লবের ফলে।
- ব্রিটেনে শিল্প বিপ্লব শুরু হয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে।
- উপমহাদেশের কুটির শিল্প ধ্বংস হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে ।
- ব্রিটেনের গৌরবময় বিপ্লব হয়- ১৬৮৮ সালে।
- ট্রাফালগার স্কয়ার ও রুশ হাউজ অবস্থিত- লন্ডনে ।
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক দপ্তরকে 'হোয়াইট হল' বলা হয়।
- লন্ডনের একটি রাজপথের নাম- পলমল হল।
- চান্সেলর অব এক্সচেকার ব্রিটেনের- অর্থমন্ত্রীর উপাধি ।
- ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপাধি সেক্রেটারী অফ স্টেট ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ অ্যাফেয়ার্স।
- ১১নং ডাউনিং স্ট্রিট ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী একচেকার এর সরকারি বাসভবন।
- গ্রেট ব্রিটেন ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড নিয়ে গঠিত।
ব্রিটেনের রাজা-রানী ও প্রধানমন্ত্রী
- ইংল্যান্ডের প্রথম রাজা ছিলেন- আলফ্রেড দ্য গ্রেট
- যুক্তরাজ্যের সর্বশেষ নারী সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন (৭০)- রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
- পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রানীর পদ অলঙ্কৃত করেন- রানী ২য় এলিজাবেথ।
- রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ (৯৬) মারা যান- ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে।
- যুক্তরাজ্যের বর্তমান সিংহাসনে অধিষ্ঠিত আছেন- রাজা ৩য় চার্লস।
- ব্রিটেনের প্রথম তথা বিশ্বের প্রথম প্রধানমন্ত্রী- রবার্ট ওয়ালপোল।
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবনের নাম- বাকিংহাম প্যালেস।
- ইউরোপের 'লৌহ মানবী নামে পরিচিত- মর্গারেট থ্যাচার।
- মর্গারেট থ্যাচার ১১ বছর (১৯৭৯-৯০) পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন ।
- মর্গারেট থ্যাচার কনজারবেটিভ পার্টি দলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১ম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- হেনরী আসকুইথ ।
- ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- উইনস্টন চার্চিল (ব্রিটেন)
- ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম চালর্সকে সর্বসমক্ষে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয় ।
- বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী প্রধানমন্ত্রী- উইলিয়াম পিট ।
- গ্রেট ব্রিটেনের কনিষ্ঠতম- রাজা ষষ্ঠ হেনরি।
- ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন (১৭৩০ সাল থেকে)।
- ১২ নং ডাইনিং স্ট্রিট ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন।
- লেখক, সুবক্তা, সৈনিক ও রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে বিখ্যাত- উনস্টাইন চার্চিল।
- মিখাইল গর্ভাচেভ সম্বন্ধে মার্গারেট থ্যাচার উক্তি করেন যে, “এই লোকের সাথে আমরা কাজ করতে পারি।”
ম্যাগনাকার্টা
- Magna Carta ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল।
- রাজা জনের শাসনামলে ১২১৫ সালের ১৫ জুন স্বাক্ষরিত হয়।
গৌরবময় বিপ্লবের
- ১৬৮৮ সালে গৌরবময় বিপ্লবের মাধ্যমে ব্রিটেনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম গণতন্ত্র প্রচলিত আছে যুক্তরাজ্যে।
শিল্প বিপ্লব
- ১৭৬০ সালে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়।
- Industrial খাতের বিকাশের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সূচনা হয়।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের কুটির শিল্প ধ্বংস হয়।
ব্লাসফেমি
- ব্লাসফেমি আইন যুক্তরাজ্যে প্রথম চালু হয়।
- 'ব্লাসফেমি' শব্দের অর্থ ধর্মনিন্দা বা ঈশ্বর নিন্দা ।
- ধর্ম বা ঈশ্বরের বিরুদ্ধে কথা বলার প্রতিরোধে এ আইন করা হয়।
ইউনিয়ন জ্যাক
- যুক্তরাজ্যের জাতীয় পতাকাকে Union Jack বা Union Flag বলা হয়।
ভিক্টোরিয়া ক্রস
- ভিক্টোরিয়া ক্রস ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ।
- কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে এ পদক প্রদান করা হয়।
নির্বাহী পদ
- রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রপ্রধান
- সরকার প্রধান- প্রধানমন্ত্রী
- ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে Chancellor of Ex-Chequer বলা হয়।
- ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদবী Secretary of State for Foreign and Commonwealth
পার্লামেন্ট
- আইনসভা দুই কক্ষবিশিষ্ট (Bi-Cameral) |
- যথা- হাউজ অব লর্ডস (উচ্চ কক্ষ) এবং হাউজ অব কমনস (নিম্নকক্ষ)।
- ব্রিটেনের পার্লামেন্ট ভবনের নাম The Westminster Palace.
ব্রেক্সিট
- BREXIT বলতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার নাম।
- ব্রেক্সিট কার্যকর হয় ৩১ জানুয়ারি ২০২০ সালে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে
হোয়াইট হল
মার্বেল চার্চ
বুশ হাউজ
দ্বিতীয় এলিজাবেথ (এলিজাবেথ আলেকজান্ড্রা ম্যারি) ২১ এপ্রিল ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের রানি হিসেবে শাসন করেন। প্রায় ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজত্ব করে তিনি ব্রিটিশ ইতিহাসের দীর্ঘতম শাসনকারী এবং বিশ্বের ইতিহাসে দীর্ঘকালীন ক্ষমতাসীন নারী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পরিচিত হন। রাজত্বকালে তিনি যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৩২টি দেশের এবং মৃত্যুকালে ১৪টি কমনওয়েলথ রাষ্ট্রের রানি ছিলেন। রাজা ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যুর পর তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং কমনওয়েলথের প্রধান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক সেবার মাধ্যমে তার জনজীবনের সূচনা হয় এবং ১৯৪৭ সালে তিনি ডিউক অব এডিনবরা ফিলিপকে বিয়ে করেন, যাদের চার সন্তান রয়েছে। তার শাসনামলে বহু দেশ স্বাধীনতা লাভ করে, তিনি অসংখ্য ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর সম্পন্ন করেন এবং রৌপ্য, স্বর্ণ, হীরক ও নীলকান্তমণি জয়ন্তী উদ্যাপন করেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংকটের কারণে কিছু সময় সমালোচনার মুখে পড়লেও তিনি দীর্ঘদিন জনগণের সমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হন। ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর স্কটল্যান্ডের বালমোরাল দুর্গে তার মৃত্যু হয় এবং তার জ্যেষ্ঠ পুত্র চার্লস তৃতীয় রাজা হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাকিংহাম প্যালেস
উইন্ডসর ক্যাসেল
বালমোরাল ক্যাসেল
ওয়ারউইক প্যালেস
ওয়েস্টমিনিস্টার প্রাসাদ (Westminster Palace): লন্ডনের অধীনে স্বায়ত্তশাসনপ্রান্ত ওয়েস্টমিনিস্টার প্রাসাদ টেমস নদীর উত্তর কূল ঘেষে অবস্থিত। এটি যুক্তরাজ্যের আইনসভা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ আইনসভা তথা পার্লামেন্ট হিসেবে স্বীকৃত।
সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টার ডাক নাম বিগবেন (Big Ben)।
ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে (Westminster Abbey): লন্ডনের একটি ঐতিহাসিক চার্চ। এখানে ব্রিটিশ রাজা-রানীদের সিংহাসনে আরোহণের অনুষ্ঠান এবং শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। ১৫৬০ সালে রানী প্রথম এলিজাবেথ এটি নির্মাণ করেন।
India House (ইন্ডিয়া হাউস): লন্ডনভিত্তিক ভারতীয় জাতীয়তাবাদী সংগঠন (১৯০৫-১৯১০খ্রিঃ)।
Scotland Yard (স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড): লন্ডনে অবস্থিত মেট্রোপলিট্রন পুলিশের প্রধান কার্যালয়
Bush house (বুশ হাউস): লন্ডনে অবস্থিত বিবিসি'র প্রাক্তন প্রধান কার্যালয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- যুক্তরাজ্যে কোনো লিখিত সংবিধান নাই ।
- যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ আইন প্রথার উপর গড়ে উঠেছে
- যুক্তরাজ্যে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত।
- 'ম্যাগনা কার্টা' হলো ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল ।
- 'ম্যাগনা কার্টা' স্বাক্ষরিত হয় ১২১৫ সালে (রাজা জন কর্তৃক)
বৃটেনের শাসনতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রবচন গুলো:-
- The King is dead, long live the king.
- The King never dies.
- The King reigns but does not rule.
- The King can do no wrong.
- ব্রিটেনের পার্লামেন্টের নাম হচ্ছে- পার্লামেন্ট।
- ব্রিটেনের পার্লামেন্টের অপর নাম- ওয়েস্ট মিনিস্টার আবে।
- ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হচ্ছে-দ্বি কক্ষ বিশিষ্ট।
- ব্রিটেনের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম হচ্ছে- হাউজ অব লর্ডস।
- ব্রিটেনের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম- হাউজ অব কমন্স।
- ব্রিটেনের হাউস অব কমন্সের আসন- ৬৫০ টি।
- ব্রিটেনের মহিলারা ভোটাধিকার পায় ১৯১৮ সালে।
মূল বিষয়বস্তু:
রাজা ইচ্ছেমতো কর আদায় করতে পারবে না।
প্রজাদের ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার থাকবে।
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় – এমনকি রাজাও নয়।
গুরুত্ব: ম্যাগনাকার্টাকে আধুনিক গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। এটি ভবিষ্যতে ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থার এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সংবিধানের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১১ দফা
২১ দফা
৬ দফা
8 দফা
ভিক্টোরিয়া ক্রস (ইংরেজি: Victoria Cross) সর্বোচ্চ সামরিক পদক যা শত্রুর সম্মুখ সমরে অংশ নেয়ার অসম সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য প্রদান করা হয়। কমনওয়েলথভূক্ত দেশ ও সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভূক্ত উপনিবেশসমূহের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরকে এ পদক দেয়া হয়। পদকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য পদক হিসেবে স্বীকৃত যা অন্য যে-কোন স্তরের পদকের তুলনায় সর্বোৎকৃষ্ট। ভিক্টোরিয়া ক্রসকে সংক্ষেপে ভিসি নামে অভিহিত করা হয়।
শান্তির ৪০ বছর পর ১৮৫৪ সালে ব্রিটেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে বৃহৎ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধটি ছিল প্রথমদিককার অন্যতম যুদ্ধ যা আধুনিক প্রতিবেদন নির্ভরশীল। উইলিয়াম হাওয়ার্ড রাসেল নামীয় যুদ্ধবিষয়ক সংবাদদাতা ব্রিটিশ সেনাদের সাহসিকতা ও নির্ভীকতার বিষয়ের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু তারা পুরস্কারবিহীন অবস্থায় ছিলেন।
ক্রিমিয়ার যুদ্ধের পূর্বে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে সাহসিকতার প্রদর্শনের স্বীকৃতির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কোন আদর্শ পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই কেবলমাত্র অধস্তন পদবীধারী সেনাদেরকে অর্ডার অব দ্য বাথ এবং ব্রেভেট পুরস্কার প্রদান করতেন। কিন্তু এ ধরনের পুরস্কার প্রদানের প্রথা খুবই সীমিত পর্যায়ে ছিল।
অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলো স্তর কিংবা পদবীকে মূল্যায়িত না করেই পুরস্কার প্রবর্তিত করে। ফ্রান্স লিজিয়ন দোঁ’অনার (লিজিয়ন অব অনার) এবং নেদারল্যান্ড সরকার অর্ডার অব উইলিয়াম প্রদান করে। এরফলে জনগণ এবং রাজদরবারে নতুন পদক প্রবর্তনের কথা দাবী করে। ২৯ জানুয়ারি, ১৮৫৬ সালে (গেজেট আকারে প্রকাশ ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৬) মহারাণী ভিক্টোরিয়া ওয়ারেন্ট প্রদান করেন। এভাবেই আনুষ্ঠানিকভাবে ভিক্টোরিয়া ক্রস পদকের উৎপত্তি ঘটে। আদেশনামাটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধকালীন ১৮৫৪ সাল থেকে কার্যকরী হবে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more